টিপস

ভর্তি বাতিলের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ২০২৪

আপনি চাইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিল করতে পারবেন। তাই আপনি যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিল সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন করলেন অনুসন্ধান করেন তাহলে এই নিবন্ধে সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ও মাস্টার্স ৪ ক নং রেগুলেশন ও ডিগ্রী পাস ৫ ক নং রেগুলেশন এর ধারা মোতাবেক দৈত্য ভর্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই আপনি চাইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিল করতে পারবেন। তাই পূর্বের ভর্তি বাতিল করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন করে ভর্তি হতে পারবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিল করার জন্য সাধারণত দুটি নিয়ম খুবই প্রচলিত আছে। এই নাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সহজে মাধ্যমটি সেটি হল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিল। অথবা অনলাইন প্লাটফর্ম এ ভর্তি বাতিল।

  • কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে।
  • অনলাইন ব্যবহারের মাধ্যমে।

কলেজে গিয়ে ভর্তি বাতিল

সশরীরে আপনি যে কলেজে পড়েন সেই কলেজে গিয়ে ভর্তি বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে উক্ত কলেজের যে ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছিলেন সেই ডিপার্টমেন্টের গিয়ে আপনার ভর্তি বাতিল করার আবেদন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে কলেজের সমস্ত বকেয়া পরিশোধ করে অতিরিক্ত 746 টাকা ভর্তি বাতিল বিল পেমেন্ট করতে হবে। কলেজ কর্তৃক ভর্তি বাতিলের ক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিলম্ব করে সেক্ষেত্রে আপনি অনলাইনে নিজের ভর্তি বাতিল করে নিতে পারবেন।

ভর্তি বাতিল দরখাস্ত
ভর্তি বাতিল দরখাস্ত

অনলাইনে ভর্তি বাতিল

নিজের প্রতি নিজেই বাতিল করে নেয় এতে আপনি অনলাইন ব্যবহার করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি একটু কঠিন হলেও আমি নিচে খুব সহজ করে তুলে ধরছি। কলেজে আপনি আপনার ভর্তি বাতিল করার জন্য আপনার অধ্যক্ষের কাছে একটি অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত লিখতে হবে। এই দরখাস্ত কে কলেজ ফর ওয়ার্ডিং লেটার বলে। উক্ত লেটারটি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে দিয়ে আপনি অনুমতি পত্র পেয়ে যাবেন। অনুমতি পত্র আনার পর আপনাকে যা করতে হবে তা নিচে তুলে ধরা হলো। অনলাইনে নিজের ভর্তি বাতিল করার আবেদন এর সবচেয়ে ভালো উপায় এই নিবন্ধে আলোচনা করা হচ্ছে। অনলাইনে ভর্তি বাতিলের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম আপনাকে নিচের লিংকে http://services.nu.edu.bd/nu-app/একটি অ্যাকাউন্ট করতে হবে। এখন সম্পূর্ণ হলে একাউন্ট এখন মেনু হতে এডমিশন কন্ট্রোল নির্বাচন করলে এডমিশন কন্ট্রোল ফ্রম চলে আসবে। সেখানে আপনি ফরওয়ার্ডিং লেটার, রেজিস্ট্রেশন কার্ড স্ক্যান করে হতাশ করে ভর্তি বাতিলের কারণ লিখে সাবমিট করবেন।এরপর ভর্তি বাতিল ফ্রী প্রদানের জন্য পে স্লিপ বা ব্যাংক রশিদ দেওয়া হবে। ভর্তি বাতিল ফি বাবদ 746 টাকা সোনালী ব্যাংকের শাখায় জমা দিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে কলেজ কর্তৃক বকেয়া পাওনা আগেই পরিশোধ করে নিতে হবে।

ভর্তি বাতিলের জন্য আবেদন পত্র
ভর্তি বাতিলের জন্য আবেদন পত্র

যদি কারো রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবার আগেই ভর্তি বাতিল করতে হয়

সেক্ষেত্রে মেন্যুতে যেয়ে নিউ স্টুডেন্ট রেজিস্ট্রেশন সিলেক্ট করে তা যথাযথভাবে পূরণ করে এডমিশন ফরম সাবমিট করতে হবে। দুই-একদিনের মধ্যেই আপনার ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি বিভাগ হতে খণ্ডকালীন ব্যবহারের জন্য একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পাসওয়ার্ড দেবে। তা দিয়ে লগইন করে উপরের নিয়ম অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।
আপনার আবেদন করার 7 থেকে 15 কার্যদিবসের মধ্যে ভর্তি বাতিলের একটি লেটার পাবেন। এই লেটার পাওয়া মানে আপনার ভর্তি বাতিলের সম্পন্ন হয়েছে।

Md Jahidul Islam

আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ হতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে 2018 সাল থেকে সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলোকন করে- জীবনকে পরিপূর্ণ আঙ্গিকে নতুন করে সাজানোর আশাবাদী। নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী- তাই নবরুপ ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button